বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা স্থানীয় প্রতিভাদের বিকাশে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। নতুন এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি পেশাদার ক্লাবকে তাদের মূল একাদশে অন্তত একজন স্থানীয় বা ক্লাবের নিজস্ব প্রশিক্ষিত খেলোয়াড়কে খেলানো বাধ্যতামূলক হতে পারে।
সাধারণত বড় ক্লাবগুলো নামী বা বিদেশি খেলোয়াড় কেনায় বেশি মনোযোগী থাকে। ফলে ক্লাবের নিজস্ব একাডেমির তরুণ খেলোয়াড়রা মূল দলে সুযোগ পায় না। এই ব্যবধান ঘুচিয়ে অনূর্ধ্ব-২০ বা অনূর্ধ্ব-২১ ক্যাটাগরির তরুণদের মূল ধারার ফুটবলে নিয়মিত করতে চায় ফিফা।
ফিফার প্রস্তাব অনুযায়ী, শুধু স্কোয়াডে নাম রাখলেই হবে না, ম্যাচের পুরো সময় অন্তত একজন স্থানীয় খেলোয়াড়কে খেলার মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে। বর্তমানে উয়েফা বা অন্যান্য প্রতিযোগিতায় স্কোয়াড তালিকায় নির্দিষ্ট কোটা থাকলেও মূল একাদশে খেলার ব্যাপারে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ফিফার এই নতুন নিয়ম বর্তমানের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ২৫ জনের দলে অন্তত ৮ জন ‘স্থানীয়ভাবে প্রশিক্ষিত খেলোয়াড়’ থাকা আবশ্যক। তবে তারা মূল একাদশে খেলবেন কি না, তা কোচের মর্জির ওপর নির্ভর করে। মূল একাদশে সার্বক্ষণিক একজন স্থানীয় তরুণ খেলোয়াড় রাখা বাধ্যতামূলক করা।
উয়েফার মানদণ্ড অনুযায়ী, ১৫ থেকে ২১ বছর বয়সের মধ্যে কোনো খেলোয়াড় যদি একই দেশে বা ক্লাবে অন্তত তিনটি পূর্ণ মৌসুম কাটায়, তবেই তাকে ‘স্থানীয়ভাবে প্রশিক্ষিত খেলোয়াড়’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ফিফার এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিশ্বজুড়ে ক্লাব ফুটবলের কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।
আরটিভি/এমআই



